বিশ্ব জুড়ে মোট ৪৩০০ (+/-) ধর্মের মধ্যে, সঠিক ও সত্য ধর্ম খুজবেন কিভাবে? সবাই নিজের ধর্মকে সঠিক ও সত্য বলে। এর মধ্যে আপনি সঠিক খুজে পাবেন কিভাবে? আপনি নিজেও তো কোন একটি ধর্ম সঠিক জেনে আসছেন। আজকে এতগুলো ধর্মের মধ্যে সঠিকটা খুজে বের করবেন কিভাবে?
আপনি সঠিক ধর্ম খুজতে চাইছেন। সেটা খোঁজার জন্য আপনি প্রস্তত তো? খোজার জন্য যত ডানে-বাঁয়ে যেতে হবে, সেটা যেতে পারবেন তো? যেটা খুজে পাবেন, সেটা মেনে নিতে পারবেন তো? মেনে নিলেও সেটা সহ্য করতে পারবেন তো? যদি পারেন, তাহলে আসুন ধাপে ধাপে কাজটি করে ফেলিঃ
আমি নিজের ধর্মীয় শিক্ষাটা পাশে সরিয়ে রেখে লিখছি। আপনিও, কিছুক্ষনের জন্য আপনার ধর্মীয় বা সামাজিক শিক্ষাটা পাশে সরিয়ে রাখুন।
প্রথম ধাপঃ নিজেকে জানুন। আপনি কি সৃষ্টিকর্তাকে স্বীকার করেন? মনে রাখবেন বিষয়টা বিশ্বাস নয় - স্বীকার করা। আপনি কি সৃষ্টিকর্তাকে স্বীকার করেন? নাকি আপনি নাস্তিক বা সংশয়বাদী? এখানে বোঝার বিষয় হলো - নাস্তিক বা সংশয়বাদী হলে, আপনি এখনো সঠিক ধর্ম খোঁজার উপযুক্ত নন।
- প্রথমে ইশ্বরকে চিনুন। তারপর ধর্ম চিনতে আসবেন।
দ্বিতীয় ধাপঃ আপনাকে যদি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে দামী মুদ্রা কোনটি? এর উত্তর খুঁজতে, আপনি কি প্রায় ২০০টি দেশের মুদ্রার মান হিসাব করে, মিলিয়ে দেখবেন? না, সেটা করার দরকার নেই। শুধুমাত্র বহুল ব্যাবহার হওয়া কয়েকটি মুদ্রার মান মিলিয়ে দেখলেই, সর্বোচ্চ মানের মুদ্রা খুজে পাওয়া যাবে।
ঠিক একই বুদ্ধি এখানে কাজে লাগাবেন। অযথা ভয় পাবেন না। পৃথিবীর সাড়ে চার হাজার ধর্ম খুজে দেখতে হবে না। শুধুমাত্র বহুল প্রচলিত কয়েকটি ধর্ম খুজে দেখুন। বিশ্বের সবচেয়ে বহুল প্রচলিত ধর্ম হলো - খ্রিস্টান, ইসলাম ও হিন্দু। এই তিনটি ধর্মে খুজে দেখলেই হবে।
তৃতীয় ধাপঃ এই তিনটি ধর্মে কি খুজবেন? সংবাদ ও তথ্য খুজবেন। এসব তথ্য কোথায় খুজবেন? ওই তিনটি ধর্ম গ্রন্থে খুজবেন।
- হ্যাঁ ; এই তিনটি ধর্মগ্রন্থে ইশ্বর বিষয়ক তথ্য খুজবেন এবং ইশ্বরের দেওয়া সংবাদ খুজবেন।
ভয় নেই, এতগুলো বই পড়তে হবে না। শুধমাত্র, প্রতিটি ধর্মগ্রন্থ থেকে মাত্র ১০টি পৃষ্ঠা পড়ুন। এতেই বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যাবে।
এখানে প্রশ্ন থাকতে পারে ; মাত্র ১০ পৃষ্ঠা পড়ে, কি এমন বোঝা যাবে?
আপনার কাছে তিনটি চিঠি এসেছে। একটি আপনার মায়ের লেখা, একটি আপনার স্ত্রীর লেখা, আরেকটি আপনার মেয়ের লেখা। এই তিনটি চিঠির প্রত্যেকটি থেকে, মাত্র একটি লাইন পড়েই আপনি বুঝতে পারবেন, কোন চিঠিটা আপনার মায়ের কাছ থেকে এসেছে।
- ঠিক তেমনই, ওই তিনটি ধর্মগ্রন্থ থেকে ১০টি পৃষ্ঠা পড়ুন। কোনটা সর্বশক্তিমান ইশ্বরের কাছ থেকে এসেছে, সেটা নিজেই বুঝতে পারবেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন হলো - অমুক তমুক লোকজনের লেখা পড়ে আর ভিডিও দেখে, নিজের মনে একটি ধারনা নিবেন না। নিজে পড়ে, জেনে বুঝে, ধারনা নিন।
Comments
Post a Comment